০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার ‘রাজত্ব’ ১৭ বছর ধরে একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে

  • আপডেট: ১০:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / ১৮০৪৪

রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার ‘রাজত্ব’ ১৭ বছর ধরে একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের খাবার সরবরাহের টেন্ডার একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিয়মিত দরপত্র আহ্বানের পরও মামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে টেন্ডার প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় স্থগিত থাকায় সুবিধাভোগী ব্যক্তি একই কাজে লাগাতার নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, সরকারি হাটের ইজারাদার ও ব্যবসায়ী হেদায়েতুল্লাহ বিভিন্ন কৌশলে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতি বছর দরপত্র আহ্বান করা হলেও মামলার কারণে চূড়ান্ত রায় কার্যকর হয় না।

২০২৩–২৪ অর্থবছরে আব্দুল মান্নান টেন্ডার সংক্রান্ত মামলা দায়ের করেন। মামলার কারণে টেন্ডারের মেয়াদ শেষ হলেও হেদায়েতুল্লাহ সাব-ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যান।

দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় ঠিকাদার মনির হোসেন বলেন, “প্রয়োজনীয় সময়ে হেদায়েতুল্লাহ অংশ নিলেও কাজ পাননি। এরপর পরিকল্পিতভাবে মামলা করিয়ে আবার আগের ঠিকাদারের নামে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।”

হেদায়েতুল্লাহ দাবি করেন, “আমি ঠিকাদার। অনেক বছর ধরে কাজ করছি। সামনে আসেন দেখা করুন।” পরে ফোন বন্ধ করে দেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহামেদ জানান, “মামলা জটিলতায় টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য কাগজপত্র জেলায় পাঠানো হয়েছে।”

জেলা সিভিল সার্জন ডা. আনিছুর রহমান বলেন, “মামলা চলমান থাকায় দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার ‘রাজত্ব’ ১৭ বছর ধরে একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে

আপডেট: ১০:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার ‘রাজত্ব’ ১৭ বছর ধরে একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের খাবার সরবরাহের টেন্ডার একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিয়মিত দরপত্র আহ্বানের পরও মামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে টেন্ডার প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় স্থগিত থাকায় সুবিধাভোগী ব্যক্তি একই কাজে লাগাতার নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, সরকারি হাটের ইজারাদার ও ব্যবসায়ী হেদায়েতুল্লাহ বিভিন্ন কৌশলে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতি বছর দরপত্র আহ্বান করা হলেও মামলার কারণে চূড়ান্ত রায় কার্যকর হয় না।

২০২৩–২৪ অর্থবছরে আব্দুল মান্নান টেন্ডার সংক্রান্ত মামলা দায়ের করেন। মামলার কারণে টেন্ডারের মেয়াদ শেষ হলেও হেদায়েতুল্লাহ সাব-ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যান।

দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় ঠিকাদার মনির হোসেন বলেন, “প্রয়োজনীয় সময়ে হেদায়েতুল্লাহ অংশ নিলেও কাজ পাননি। এরপর পরিকল্পিতভাবে মামলা করিয়ে আবার আগের ঠিকাদারের নামে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।”

হেদায়েতুল্লাহ দাবি করেন, “আমি ঠিকাদার। অনেক বছর ধরে কাজ করছি। সামনে আসেন দেখা করুন।” পরে ফোন বন্ধ করে দেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহামেদ জানান, “মামলা জটিলতায় টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য কাগজপত্র জেলায় পাঠানো হয়েছে।”

জেলা সিভিল সার্জন ডা. আনিছুর রহমান বলেন, “মামলা চলমান থাকায় দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।”