১০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

পানছড়ি সীমান্তে চোরাচালানের পণ্য আটক

  • আপডেট: ০৫:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০২৩

পানছড়ি সীমান্তে চোরাচালানের পণ্য আটক

 

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :

 

পার্বত্য খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করতে গিয়ে অবৈধ চোরাচালানের মাধ্যমে ভারতে পাচারের প্রস্তুতিকালে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্য আটক করেছে গিলাতলী বিওপি, ৩ বিজিবি সদস্যরা।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার দুপুরে নায়েব সুবেদার মোঃ মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে টহল দল সীমান্তসংলগ্ন আম বাগান এলাকা থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা পণ্যগুলো উদ্ধার করে। আটককৃত পণ্যের মধ্যে ছিল— সিস্টেম প্লাস কীটনাশক, বেবিসেট কীটনাশক, চ্যাপা শুটকি, পপ ক্রিম এবং বনলতা সালসা। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা।

 

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) জানায়, পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান রোধ, শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিজিবি নিয়মিতভাবে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অপরাধ ও চোরাকারবারী সনাক্তে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

 

আটককৃত পণ্যসমূহ চট্টগ্রাম কাস্টমস অফিসে জমাদানের প্রক্রিয়া চলছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

পানছড়ি সীমান্তে চোরাচালানের পণ্য আটক

আপডেট: ০৫:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

পানছড়ি সীমান্তে চোরাচালানের পণ্য আটক

 

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :

 

পার্বত্য খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করতে গিয়ে অবৈধ চোরাচালানের মাধ্যমে ভারতে পাচারের প্রস্তুতিকালে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্য আটক করেছে গিলাতলী বিওপি, ৩ বিজিবি সদস্যরা।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার দুপুরে নায়েব সুবেদার মোঃ মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে টহল দল সীমান্তসংলগ্ন আম বাগান এলাকা থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা পণ্যগুলো উদ্ধার করে। আটককৃত পণ্যের মধ্যে ছিল— সিস্টেম প্লাস কীটনাশক, বেবিসেট কীটনাশক, চ্যাপা শুটকি, পপ ক্রিম এবং বনলতা সালসা। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা।

 

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) জানায়, পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান রোধ, শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিজিবি নিয়মিতভাবে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অপরাধ ও চোরাকারবারী সনাক্তে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

 

আটককৃত পণ্যসমূহ চট্টগ্রাম কাস্টমস অফিসে জমাদানের প্রক্রিয়া চলছে।