
ডিজিটাল ব্যবস্থার জটিলতায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নামজারি (খারিজ) সেবা পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভূমির মালিকরা। বৈধ দলিল ও দখল থাকা সত্ত্বেও একাধিকবার আবেদন করেও কাঙ্ক্ষিত নামজারি সনদ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দলিল, খতিয়ানসহ সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও বিভিন্ন অজুহাতে আবেদন বাতিল করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুরোনো এসএ (SA) ও সিএস (CS) রেকর্ড ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় অনেক আবেদন নিষ্পত্তি করা যাচ্ছে না। এতে জমি ক্রয়-বিক্রয়, উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর এবং ব্যাংক ঋণ গ্রহণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম বলেন, “সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও অনলাইনে তথ্য না পাওয়ার অজুহাতে আমার আবেদন বাতিল করা হয়েছে।” একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান এক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী। তিনি বলেন, বাপ-দাদার রেকর্ডভুক্ত জমির নামজারির আবেদন করেও অনলাইন খতিয়ান না থাকায় তিনি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তাঁদের দাবি, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বারবার দপ্তরে ঘুরতে হচ্ছে এবং আবেদন বাতিল হলে আবারও শুরু থেকে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হচ্ছে, এতে সময় ও অর্থ—দুটোই নষ্ট হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাদিজা বেগম বলেন, বর্তমানে নামজারি কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। অনেক পুরোনো রেকর্ড ও খতিয়ানের তথ্য ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এছাড়া কিছু এলাকায় বিআরএস (BRS) জরিপ এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় সেখানে নামজারি দেওয়া যাচ্ছে না। তবে কোনো আবেদন অযৌক্তিকভাবে বাতিল করা হয় না; কাগজপত্র বা তথ্যে অসঙ্গতি থাকলে আবেদনকারীকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়।
সম্পাদক: মিলন খান মোবাইল +৮৮০১৮৩০-৩০৩১৩১ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: আব্দুল জব্বার মোবাইল +৮৮০১৭২২-৩৬৩৪০৪ বার্তা সম্পাদক: রাকিব ফেরদৌস মোবাইল +৮৮০১৮৬১-৬৫৮৮৭৫
বানিজ্যিক কার্যালয়: রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও, বাংলাদেশ।