০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে হচ্ছে জরিমানা তবুও থেমে নাই অবৈধ বালু উত্তোলন 

  • আপডেট: ০৮:৪০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০৩০

মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃ

গত ১৯ নভেম্বর নবীনগর নাছিরাবাদ বালু মহলে অভিযানে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই স্থানে ২৭ নভেম্বর বুধবার নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে মোট ৩০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে প্রশাসন।

 

এসময় অভিযান চালিয়ে নদী ও পরিবেশ ধ্বংসে জড়িত দুই ব্যক্তিকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের নাসিরাবাদ বালুমহালের তফসিল বহির্ভূত এলাকায় জেলা পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মানস চন্দ্র দাস।

 

তিনি বলেন, আইন অমান্য করে নদীর বুক থেকে চলছিল অবৈধ বালু লুটপাট। এ অপরাধে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এর ১১ ধারার লঙ্ঘনের দায়ে একই আইনের ১৫(১) ধারায় মো: মিন্টু মিয়ার ছেলে ডালিম মিয়া (৩৪) এবং মো: হারুন অর রশিদের ছেলে মো: আনোয়ার হোসেনকে (৪১) কে ১০ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। সাজা ঘোষণার পর মুহূর্তেই আদায় করা হয় পুরো ২০ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, ‘জনস্বার্থে নদী রক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষায় এ অভিযান নিয়মিত চলবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে হচ্ছে জরিমানা তবুও থেমে নাই অবৈধ বালু উত্তোলন 

আপডেট: ০৮:৪০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃ

গত ১৯ নভেম্বর নবীনগর নাছিরাবাদ বালু মহলে অভিযানে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদায়ের এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই স্থানে ২৭ নভেম্বর বুধবার নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে মোট ৩০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে প্রশাসন।

 

এসময় অভিযান চালিয়ে নদী ও পরিবেশ ধ্বংসে জড়িত দুই ব্যক্তিকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের নাসিরাবাদ বালুমহালের তফসিল বহির্ভূত এলাকায় জেলা পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মানস চন্দ্র দাস।

 

তিনি বলেন, আইন অমান্য করে নদীর বুক থেকে চলছিল অবৈধ বালু লুটপাট। এ অপরাধে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এর ১১ ধারার লঙ্ঘনের দায়ে একই আইনের ১৫(১) ধারায় মো: মিন্টু মিয়ার ছেলে ডালিম মিয়া (৩৪) এবং মো: হারুন অর রশিদের ছেলে মো: আনোয়ার হোসেনকে (৪১) কে ১০ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। সাজা ঘোষণার পর মুহূর্তেই আদায় করা হয় পুরো ২০ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, ‘জনস্বার্থে নদী রক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষায় এ অভিযান নিয়মিত চলবে।