০২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

আধুনিক নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ – ভিপি টিটো

  • আপডেট: ১২:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০০৫

আধুনিক নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ – ভিপি টিটো

 

মোঃমুজিবুর রহমানঃব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর নির্বাচনে ইতিমধ্যে মেয়র প্রার্থী হওয়ার মতামত ব্যক্ত করেছেন নবীনগর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম হোসেন খান টিটো।গোলাম হোসেন খান টিটো ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদ আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি১৯৮৬ সালে নবীনগর সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন,১৯৮৭ সালে উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতির দায়িত্ব গ্রহন করেন, ১৯৮৯ সালে নবীনগর শহর ছাত্রদলের আহবায়ক নির্বাচিত হন, ১৯৯০ সালে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী সর্বদলীয় ছাত্র আন্দোলনের নবীনগর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন, ১৯৯২ সালে তিনি নবীনগর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক ও পরবর্তীতে একই সালে সভাপতি নির্বাচিত হন।

গোলাম হোসেন খান টিটো ছাত্রজীবন থেকেই ভদ্র ও নম্রস্বভাবের হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিকট ছিল তুমুল জনপ্রিয় ছাত্রনেতা।জনপ্রিয় এ নেতা নবীনগর সরকারি কলেজে ১৯৯৩ সালে ছাত্র ছাত্রী সংসদে ভিপি পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।গোলাম হোসেন খান ( ভিপি টিটো) ১৯৯৩ সালে নবীনগর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়ে পূর্ণ প্যানেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সুগন্ধা কার্যালয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার সুবর্ণ সুযোগ হয়েছিল যা নবীনগর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ইতিহাসে কোন প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার প্রথম ও শেষ নজির,ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে টিটো স্বাক্ষাতের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিকট কলেজ হোস্টেল, নবীনগরে ডিগ্রি পরীক্ষার কেন্দ্র ও রোড এন্ডস হাইওয়ের অফিস নবীনগরে করার জন্য দাবি করেন, পরবর্তীতে তিনটি দাবি বাস্তবায়ন হয়, একজন ভিপি হিসেবে এই তিনটি কাজ বাস্তবায়ন করায় নবীনগর বাসী এখন সুবিধা ভোগ করার সুযোগ হয়েছে। তিনি ১৯৯৪ সালে নবীনগর উপজেলা ছাত্রদলের প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৭ সালে নবীনগর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন, ২০০১ সালে তিনি নবীনগর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নির্বাচিত হন। তিনি ২০০২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন, তিনি ২০০৪ সালে নবীনগর উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সফলতার মাধ্যমে পালন করেন, ২০১৪ সালে উপজেলা বিএনপি ও ২০১৭ সালে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য নির্বাচিত হন।২০২১ সালে তিনি পৌঁর বিএনপির আহবায়কের দায়িত্ব গ্রহন করে দলের দুর্দিনে প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে সফল সম্মেলনের মাধ্যমে বিদায় নিয়ে নবীনগর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতির দায়িত্ব গ্রহন করেন, গোলাম হোসেন খান টিটো নবীনগর ইচ্ছাময়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অভিভাবক নির্বাচনেও বিজয়ী হয়ে দায়িত্ব পালন করেন, তিনি নবীনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন, তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ আসনের মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট এম এ মান্নানের নির্বাচনী কমিটিতে বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রধান সমন্বয়েকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যে যে ইউনিয়ন গুলোতে নির্বাচনী কমিটির দায়িত্ব পালন করেন সেই ইউনিয়নগুলোতে ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট এম এ মান্নান জয় লাভ করেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকে অধ্যাবধি দলের জন্য নিবেদিত নেতা। নবীনগর পৌর এলাকার বিএনপির অনেক নেতা কর্মী মনে করেন দল দীর্ঘ ১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসেছে আমরা চাই দলের দুর্দিনের আমাদের আগলে রাখা, দলের কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বার বার কারানির্যাতিত দুর্দিনের টিটো ভাইকে যেন পৌর এলাকার সেবা করার লক্ষ্যে পৌর নির্বাচনে দল থেকে মূল্যায়ন করা হয়।

 

নবীনগর পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মানে প্রথম শ্রেণির পৌরসভার পুরোপুরি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়নি কোনকালেই। নবীনগর পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৯৯ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য মরহুম এডভোকেট আব্দুল লতিফের সময়ে।

 

গোলাম হোসেন খান টিটোর সাথে মেয়র নির্বাচিত হলে তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নবীনগর পৌরবাসী যদি আমার প্রতি আস্তাও বিশ্বাস রাখে, আমি নির্বাচিত হলে সন্ত্রাস,মাদক মুক্ত উন্নয়ন বান্ধব সুশৃঙ্খল পরিচ্ছন্ন নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।

আমি নবীনগর সম্মানিত নবীনগরবাসীর দোয়া চাই ও নবীনগর পৌরবাসীকে আগাম ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

আধুনিক নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ – ভিপি টিটো

আপডেট: ১২:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

আধুনিক নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ – ভিপি টিটো

 

মোঃমুজিবুর রহমানঃব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর নির্বাচনে ইতিমধ্যে মেয়র প্রার্থী হওয়ার মতামত ব্যক্ত করেছেন নবীনগর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম হোসেন খান টিটো।গোলাম হোসেন খান টিটো ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদ আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি১৯৮৬ সালে নবীনগর সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন,১৯৮৭ সালে উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতির দায়িত্ব গ্রহন করেন, ১৯৮৯ সালে নবীনগর শহর ছাত্রদলের আহবায়ক নির্বাচিত হন, ১৯৯০ সালে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী সর্বদলীয় ছাত্র আন্দোলনের নবীনগর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন, ১৯৯২ সালে তিনি নবীনগর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক ও পরবর্তীতে একই সালে সভাপতি নির্বাচিত হন।

গোলাম হোসেন খান টিটো ছাত্রজীবন থেকেই ভদ্র ও নম্রস্বভাবের হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিকট ছিল তুমুল জনপ্রিয় ছাত্রনেতা।জনপ্রিয় এ নেতা নবীনগর সরকারি কলেজে ১৯৯৩ সালে ছাত্র ছাত্রী সংসদে ভিপি পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।গোলাম হোসেন খান ( ভিপি টিটো) ১৯৯৩ সালে নবীনগর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়ে পূর্ণ প্যানেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সুগন্ধা কার্যালয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার সুবর্ণ সুযোগ হয়েছিল যা নবীনগর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ইতিহাসে কোন প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার প্রথম ও শেষ নজির,ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে টিটো স্বাক্ষাতের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিকট কলেজ হোস্টেল, নবীনগরে ডিগ্রি পরীক্ষার কেন্দ্র ও রোড এন্ডস হাইওয়ের অফিস নবীনগরে করার জন্য দাবি করেন, পরবর্তীতে তিনটি দাবি বাস্তবায়ন হয়, একজন ভিপি হিসেবে এই তিনটি কাজ বাস্তবায়ন করায় নবীনগর বাসী এখন সুবিধা ভোগ করার সুযোগ হয়েছে। তিনি ১৯৯৪ সালে নবীনগর উপজেলা ছাত্রদলের প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৭ সালে নবীনগর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন, ২০০১ সালে তিনি নবীনগর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নির্বাচিত হন। তিনি ২০০২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন, তিনি ২০০৪ সালে নবীনগর উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সফলতার মাধ্যমে পালন করেন, ২০১৪ সালে উপজেলা বিএনপি ও ২০১৭ সালে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য নির্বাচিত হন।২০২১ সালে তিনি পৌঁর বিএনপির আহবায়কের দায়িত্ব গ্রহন করে দলের দুর্দিনে প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে সফল সম্মেলনের মাধ্যমে বিদায় নিয়ে নবীনগর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতির দায়িত্ব গ্রহন করেন, গোলাম হোসেন খান টিটো নবীনগর ইচ্ছাময়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অভিভাবক নির্বাচনেও বিজয়ী হয়ে দায়িত্ব পালন করেন, তিনি নবীনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন, তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ আসনের মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট এম এ মান্নানের নির্বাচনী কমিটিতে বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রধান সমন্বয়েকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যে যে ইউনিয়ন গুলোতে নির্বাচনী কমিটির দায়িত্ব পালন করেন সেই ইউনিয়নগুলোতে ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট এম এ মান্নান জয় লাভ করেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকে অধ্যাবধি দলের জন্য নিবেদিত নেতা। নবীনগর পৌর এলাকার বিএনপির অনেক নেতা কর্মী মনে করেন দল দীর্ঘ ১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসেছে আমরা চাই দলের দুর্দিনের আমাদের আগলে রাখা, দলের কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বার বার কারানির্যাতিত দুর্দিনের টিটো ভাইকে যেন পৌর এলাকার সেবা করার লক্ষ্যে পৌর নির্বাচনে দল থেকে মূল্যায়ন করা হয়।

 

নবীনগর পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মানে প্রথম শ্রেণির পৌরসভার পুরোপুরি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়নি কোনকালেই। নবীনগর পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৯৯ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য মরহুম এডভোকেট আব্দুল লতিফের সময়ে।

 

গোলাম হোসেন খান টিটোর সাথে মেয়র নির্বাচিত হলে তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নবীনগর পৌরবাসী যদি আমার প্রতি আস্তাও বিশ্বাস রাখে, আমি নির্বাচিত হলে সন্ত্রাস,মাদক মুক্ত উন্নয়ন বান্ধব সুশৃঙ্খল পরিচ্ছন্ন নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ।

আমি নবীনগর সম্মানিত নবীনগরবাসীর দোয়া চাই ও নবীনগর পৌরবাসীকে আগাম ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।