০৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উত্তরাধিকার জমির নামজারিতে নতুন নিয়ম, বণ্টন ছাড়া হবে না পৃথক খতিয়ান

  • আপডেট: ০৬:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০৪৫

উত্তরাধিকার জমির নামজারিতে নতুন নিয়ম, বণ্টন ছাড়া হবে না পৃথক খতিয়ান

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশে জমির মালিকানা পাওয়ার পর রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি সরকারি রেকর্ডে মালিকানা নথিভুক্ত করতে নামজারি (মিউটেশন) করা বাধ্যতামূলক। তবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির নামজারিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন নিয়মে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে জমির ভাগ-বাটোয়ারা না হলে আলাদা আলাদা খতিয়ান তৈরি করা হবে না। বরং একই খতিয়ানে সকল ওয়ারিশের নাম যৌথভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এ ক্ষেত্রে যৌথ নামজারির জন্য আলাদা কোনো বণ্টননামা দলিলের প্রয়োজন হবে না। শুধু বৈধ ওয়ারিশ সনদের ভিত্তিতেই নামজারি করা যাবে।

তবে কোনো ওয়ারিশ যদি নিজের অংশ আলাদাভাবে দেখিয়ে পৃথক খতিয়ান তৈরি করতে চান কিংবা আলাদা আলাদা ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দিতে চান, তাহলে নিবন্ধিত আপোষ-বণ্টননামা দলিল থাকা বাধ্যতামূলক হবে।

ভূমি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে উত্তরাধিকার জমির ক্ষেত্রে ‘আগে যৌথ, পরে আলাদা’ নীতি কার্যকর হচ্ছে। এতে সরকারি রেকর্ডে প্রকৃত মালিকদের নাম নিশ্চিত করার পাশাপাশি জমি নিয়ে বিরোধ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতেই এ ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

উত্তরাধিকার জমির নামজারিতে নতুন নিয়ম, বণ্টন ছাড়া হবে না পৃথক খতিয়ান

আপডেট: ০৬:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উত্তরাধিকার জমির নামজারিতে নতুন নিয়ম, বণ্টন ছাড়া হবে না পৃথক খতিয়ান

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশে জমির মালিকানা পাওয়ার পর রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি সরকারি রেকর্ডে মালিকানা নথিভুক্ত করতে নামজারি (মিউটেশন) করা বাধ্যতামূলক। তবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির নামজারিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন নিয়মে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে জমির ভাগ-বাটোয়ারা না হলে আলাদা আলাদা খতিয়ান তৈরি করা হবে না। বরং একই খতিয়ানে সকল ওয়ারিশের নাম যৌথভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এ ক্ষেত্রে যৌথ নামজারির জন্য আলাদা কোনো বণ্টননামা দলিলের প্রয়োজন হবে না। শুধু বৈধ ওয়ারিশ সনদের ভিত্তিতেই নামজারি করা যাবে।

তবে কোনো ওয়ারিশ যদি নিজের অংশ আলাদাভাবে দেখিয়ে পৃথক খতিয়ান তৈরি করতে চান কিংবা আলাদা আলাদা ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দিতে চান, তাহলে নিবন্ধিত আপোষ-বণ্টননামা দলিল থাকা বাধ্যতামূলক হবে।

ভূমি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে উত্তরাধিকার জমির ক্ষেত্রে ‘আগে যৌথ, পরে আলাদা’ নীতি কার্যকর হচ্ছে। এতে সরকারি রেকর্ডে প্রকৃত মালিকদের নাম নিশ্চিত করার পাশাপাশি জমি নিয়ে বিরোধ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতেই এ ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।