১০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে পলাতক চেয়ারম্যানের রাতের স্বাক্ষর কেলেঙ্কারি

  • আপডেট: ০৮:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮০৩১

ঠাকুরগাঁওয়ে পলাতক চেয়ারম্যানের রাতের স্বাক্ষর কেলেঙ্কারি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে পলাতক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে রাতে ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে অনৈতিকভাবে রেজুলেশন তৈরির মাধ্যমে পুনরায় পদ দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন এই চেয়ারম্যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়িত্বে থাকাকালে তিনি সরকারি বরাদ্দে অনিয়ম ও দলীয় পক্ষপাতিত্বে জড়িত ছিলেন এবং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলাও দিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, গত ৪ মার্চ রাতে একটি হাইস্কুল মাঠে কয়েকজন ইউপি সদস্যকে ডেকে বিভিন্ন অজুহাতে সাদা কাগজ ও রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর নেন তিনি। পরে বকেয়া বিল পাসের কথা বলে বাড়ি বাড়ি গিয়েও স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করেন।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে সদস্যরা দাবি করেছেন—তাদের কাছ থেকে কোনো বৈধ রেজুলেশন ছাড়াই সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

সংরক্ষিত সদস্য সোনা রাণী বলেন, “রাতে বাসায় এসে সাদা কাগজে সই নেওয়া হয়, কিন্তু কেন নেওয়া হয়েছে তা জানি না।”

সুমিত্রা রাণী বলেন, “চৌকিদারের মাধ্যমে সই নেওয়া হয়েছে। আমাদের স্বাক্ষর অপব্যবহার হতে পারে বলে আশঙ্কা করছি।”

বাবুল মেম্বারসহ আরও কয়েকজন সদস্যও রাতের বেলায় স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনৈতিকভাবে স্বাক্ষর সংগ্রহ করে আবারও চেয়ারম্যানের পদ দখলের চেষ্টা চলছে।

অভিযুক্ত নুরুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে পলাতক চেয়ারম্যানের রাতের স্বাক্ষর কেলেঙ্কারি

আপডেট: ০৮:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে পলাতক চেয়ারম্যানের রাতের স্বাক্ষর কেলেঙ্কারি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে পলাতক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে রাতে ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে অনৈতিকভাবে রেজুলেশন তৈরির মাধ্যমে পুনরায় পদ দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন এই চেয়ারম্যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়িত্বে থাকাকালে তিনি সরকারি বরাদ্দে অনিয়ম ও দলীয় পক্ষপাতিত্বে জড়িত ছিলেন এবং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলাও দিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, গত ৪ মার্চ রাতে একটি হাইস্কুল মাঠে কয়েকজন ইউপি সদস্যকে ডেকে বিভিন্ন অজুহাতে সাদা কাগজ ও রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর নেন তিনি। পরে বকেয়া বিল পাসের কথা বলে বাড়ি বাড়ি গিয়েও স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করেন।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে সদস্যরা দাবি করেছেন—তাদের কাছ থেকে কোনো বৈধ রেজুলেশন ছাড়াই সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

সংরক্ষিত সদস্য সোনা রাণী বলেন, “রাতে বাসায় এসে সাদা কাগজে সই নেওয়া হয়, কিন্তু কেন নেওয়া হয়েছে তা জানি না।”

সুমিত্রা রাণী বলেন, “চৌকিদারের মাধ্যমে সই নেওয়া হয়েছে। আমাদের স্বাক্ষর অপব্যবহার হতে পারে বলে আশঙ্কা করছি।”

বাবুল মেম্বারসহ আরও কয়েকজন সদস্যও রাতের বেলায় স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনৈতিকভাবে স্বাক্ষর সংগ্রহ করে আবারও চেয়ারম্যানের পদ দখলের চেষ্টা চলছে।

অভিযুক্ত নুরুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।