১০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদ্রাসা কমিটি গঠনে ‘গোপনীয়তার’ অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট 

  • আপডেট: ০১:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০৫১

 

 

 

মোঃ খুবাইব হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে খামার ঈদগাহ দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে ওঠা ‘গোপনীয়তা ও অনিয়মের’ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন কর্তৃপক্ষ। মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতি নিশ্চিত করেছেন, নির্বাচনী তফসিল মেনেই কমিটি গঠনের সকল কাজ স্বচ্ছতা ও বিধিমোতাবেক সম্পন্ন হয়েছে।

 

 

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী তফসিল মোতাবেক ২৫-২৬-২৭ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা ও উত্তোলনের তারিখ ছিল।

৩০ নভেম্বর যাচাই-বাছাই শেষে ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

 

প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জানান, শিক্ষক প্রতিনিধিসহ সমস্ত কার্যক্রম যথাযথ নিয়মে এবং সকলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সম্পন্ন হয়েছে। নোটিশ টাঙানোর মাধ্যমে অভিভাবকরাও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা জানান, বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত করেছে যে শিক্ষকরা তাদের নির্বাচনের বিষয়ে জানিয়েছিলেন এবং তারা তাদের অভিভাবকদেরও বিষয়টি অবগত করেছেন। তাদের মতে, কমিটি গঠনের কাজ কোনো গোপনীয়তা ছাড়াই উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে চলছে এবং কোনো অনিয়ম ঘটেনি।

 

মাদ্রা্সার সুপার মামুনুর রশীদ বলেন,

খামার মাদ্রাসায় আবাদি জমিসমুহ সঠিক নিয়মে লিজ প্রদান করে সেই টাকা দিয়ে মাদ্রাসায় বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করা হয়েছে।

আর গাছ কাটার যে অভিযোগ সেটি মিথ্যা, গাছ দিয়ো মাদ্রাসায় বিভিন্ন আসবাবপত্র পএ বানানো হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন,

সেইসাথে যারা মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে অভিভাবক হিসেবে তারা অনেকেই অভিভাবক নন

তিনি গোপনে কমিটি করার বিষয়ে

অভিযোগে বলেন,যে এরকম কথাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।আমরা উন্মুক্ত তফসিল করে নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করেছি।

 

মাদ্রাসা সুপার মামুনুর রশীদ বলেন, “আমরা সঠিক নিয়মে শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন করেছি। অভিভাবকরাও অবগত ছিলেন বলেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন।”

 

সভাপতির দাবি উন্নয়নমূলক কাজ দেখে কুচক্রী মহলের গুজব

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলমগীর (যিনি ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নিয়েছেন) বলেন, তিনি সভাপতি হওয়ার পর মাদ্রাসার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছেন। এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি ‘কুচক্রী মহল’ তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে যে তিনি সুপারের দ্বারা গোপনে কমিটি করছেন।

আলমগীরের দাবি: তিনি জোর দিয়ে বলেন,গোপনে “কমিটি গঠনের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

বিধিমোতাবেক তিনজন শিক্ষক প্রতিনিধি ও দাতা প্রতিনিধি নির্বাচন হয়েছে। আমার ভালো কাজ দেখে কুচক্রী মহল এই গুজব রটাচ্ছে।”

হরিপুর উপজেলা যুবদলের সহ সভাপতি ও অএ মাদ্রাসার সভাপতি আরও জানান, হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মণ নিজে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে কার্য সম্পাদনের অনুমতি দিয়েছেন, যা প্রমাণ করে কাজটি গোপনে হয়নি।

কর্তৃপক্ষের দাবি, কমিটি গঠনে নিয়মের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি এবং গোপনীয়তার অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদ্রাসা কমিটি গঠনে ‘গোপনীয়তার’ অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট 

আপডেট: ০১:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

 

মোঃ খুবাইব হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে খামার ঈদগাহ দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে ওঠা ‘গোপনীয়তা ও অনিয়মের’ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন কর্তৃপক্ষ। মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতি নিশ্চিত করেছেন, নির্বাচনী তফসিল মেনেই কমিটি গঠনের সকল কাজ স্বচ্ছতা ও বিধিমোতাবেক সম্পন্ন হয়েছে।

 

 

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী তফসিল মোতাবেক ২৫-২৬-২৭ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা ও উত্তোলনের তারিখ ছিল।

৩০ নভেম্বর যাচাই-বাছাই শেষে ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

 

প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জানান, শিক্ষক প্রতিনিধিসহ সমস্ত কার্যক্রম যথাযথ নিয়মে এবং সকলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সম্পন্ন হয়েছে। নোটিশ টাঙানোর মাধ্যমে অভিভাবকরাও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা জানান, বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত করেছে যে শিক্ষকরা তাদের নির্বাচনের বিষয়ে জানিয়েছিলেন এবং তারা তাদের অভিভাবকদেরও বিষয়টি অবগত করেছেন। তাদের মতে, কমিটি গঠনের কাজ কোনো গোপনীয়তা ছাড়াই উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে চলছে এবং কোনো অনিয়ম ঘটেনি।

 

মাদ্রা্সার সুপার মামুনুর রশীদ বলেন,

খামার মাদ্রাসায় আবাদি জমিসমুহ সঠিক নিয়মে লিজ প্রদান করে সেই টাকা দিয়ে মাদ্রাসায় বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করা হয়েছে।

আর গাছ কাটার যে অভিযোগ সেটি মিথ্যা, গাছ দিয়ো মাদ্রাসায় বিভিন্ন আসবাবপত্র পএ বানানো হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন,

সেইসাথে যারা মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে অভিভাবক হিসেবে তারা অনেকেই অভিভাবক নন

তিনি গোপনে কমিটি করার বিষয়ে

অভিযোগে বলেন,যে এরকম কথাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।আমরা উন্মুক্ত তফসিল করে নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করেছি।

 

মাদ্রাসা সুপার মামুনুর রশীদ বলেন, “আমরা সঠিক নিয়মে শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন করেছি। অভিভাবকরাও অবগত ছিলেন বলেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন।”

 

সভাপতির দাবি উন্নয়নমূলক কাজ দেখে কুচক্রী মহলের গুজব

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলমগীর (যিনি ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নিয়েছেন) বলেন, তিনি সভাপতি হওয়ার পর মাদ্রাসার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছেন। এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি ‘কুচক্রী মহল’ তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে যে তিনি সুপারের দ্বারা গোপনে কমিটি করছেন।

আলমগীরের দাবি: তিনি জোর দিয়ে বলেন,গোপনে “কমিটি গঠনের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

বিধিমোতাবেক তিনজন শিক্ষক প্রতিনিধি ও দাতা প্রতিনিধি নির্বাচন হয়েছে। আমার ভালো কাজ দেখে কুচক্রী মহল এই গুজব রটাচ্ছে।”

হরিপুর উপজেলা যুবদলের সহ সভাপতি ও অএ মাদ্রাসার সভাপতি আরও জানান, হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মণ নিজে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে কার্য সম্পাদনের অনুমতি দিয়েছেন, যা প্রমাণ করে কাজটি গোপনে হয়নি।

কর্তৃপক্ষের দাবি, কমিটি গঠনে নিয়মের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি এবং গোপনীয়তার অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।