হরিপুরে মাদ্রাসায় গোপনে কমিটি গঠন-ইউএনও ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ ।
- আপডেট: ০৬:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১৮০৫০

রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ
শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা ও অনিয়ম করে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার খামার ঈদগাহ দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সুপার মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে। সুপার মামুনুর রশীদ এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রিজাইডিং অফিসার রায়হানুল ইসলাম মিয়াসহ একটি প্রভাবশালী মহল পকেট কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এ নিয়ে ওই এলাকাবাসী শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এদিকে পকেট কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া মাদ্রাসার অভিভাবকরা তা অবিলম্বে বাতিল করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে যথাবিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অনিয়ম তদন্তে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শিক্ষার্থীর অভিভাবক ইউপি সদস্য আলমাস আলীসহ ১২ জন। অভিযোগে জানা যায়, খামার ঈদগাহ দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য উপজেলা নিবাহী কার্যালয় থেকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রায়হানুল ইসলাম মিয়াকে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেয়া হয়। দায়িত্ব পেয়ে শিক্ষা অফিসার কোন প্রকার তফশীল ঘোষণা না করে গোপনে সুপারের আত্মীয় শিক্ষার্থী অভিভাবককে নিয়ে
ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া করেন। এনিয়ে শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো: আলমাস আলী অভিযোগ করে বলেন, অবৈধ পকেট কমিটি করা হয়েছে এটি মানা যায় না। আমরা চাই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি নিয়ম অনুযায়ী তফশিল ঘোষণা করে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হোক। এ ব্যপারে মাদ্রাসার সহকারী সুপার সানাউল্লাহ জানান, আমি কমিটি গঠনের ব্যপারে সুপার সাহেবকে জিজ্ঞেসা করেছিলাম তিনি বলেছিলেন নির্বাচন করা যাবে না সিলেকশনে কমিটি গঠন করতে হবে। তিনি কিভাবে কি করেছেন এবিষয়ে আমি কিছুই জানি না। মাদ্রাসার সুপার মামুনুর রশীদ মুঠো ফোনে বলেন, এবিষয়ে আমার এডক কমিটির সভাপতির সঙ্গে কথা বলেন, আমি কিছু বলতে পারব না। এডক কমিটির সভাপতি আলমগীর হোসেন জানান, এবিষয়ে আমার কিছু বলার নাই যারা অভিযোগ করেছে তাঁদের কাছে শুনেন তবে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রিজাইডিং অফিসার রায়হানুল ইসলাম মিয়া মুঠো ফোনে বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম, মুঠো ফোনে জানান আমার কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এটি আপনার কাছে শুনলাম। আমার স্টাফদেরকে জিজ্ঞেস করে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















