১১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

নবীগঞ্জের দুই মাদক ব্যবসায়ী শেরপুর পুলিশের হাতে এক কেজি গাঁজা সহ আটক

  • আপডেট: ১০:০০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০২৩

নবীগঞ্জের দুই মাদক ব্যবসায়ী শেরপুর পুলিশের হাতে এক কেজি গাঁজা সহ আটক

 

বুলবুল আহমেদ নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:-

নবীগঞ্জ উপজেলার জিয়াপুর গ্রামের মাদক সস্মাট কয়েছ আলী ইমনের ভাই রায়েছ মিয়া ও চৈতন্যপুর গ্রামের লিটন মিয়াকে এক কেজি গাঁজা সহ শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা পরিবারিক ভাবে পুরো পরিবার মাদক বিক্রেতা ও মাদক বিক্রি করে গড়ে।তুলেছে মাদকের এক সমার্জ্জ। তাদের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ প্রসাশন ও নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসোয়ারা নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবৎ ব্যাবসা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। গত কিছু দিন পুর্বে রায়েছ মিয়া ২৭ কেজি গাজাঁ সহ সেনাবাহিনির হাতে গ্রেফতার হয়। মাস খানেক জেলে থাকার পর জামিনে এসে আবারও প্রকাশ্যে গাজাঁর ব্যবসা শুরু করে। এনিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহবুব খসরু সহ এলাকাবাসী প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরবর্তিতে দীঘলবাক ইউপি চেয়ারম্যান ভ্রমন থেকে দ্রুত দেশে আসেন। এরপর থেকে আবারও গাজাঁ বিক্রির অলিখিত অনুমদন দিয়ে মাদক ব্যবয়ায়ীদেরকে গাজাঁর ব্যাবসার সুযোগ করে দেন। রায়েছ গ্রেফতার হলেও ধরা ছোয়ার বাহিরে রয়েছে কয়েছ আলী ইমন ও তাদের গড ফাদার আহমদ আলী এদের কে দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য এলাকাবাসী জোর দাবী জানান।

 

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

নবীগঞ্জের দুই মাদক ব্যবসায়ী শেরপুর পুলিশের হাতে এক কেজি গাঁজা সহ আটক

আপডেট: ১০:০০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

নবীগঞ্জের দুই মাদক ব্যবসায়ী শেরপুর পুলিশের হাতে এক কেজি গাঁজা সহ আটক

 

বুলবুল আহমেদ নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:-

নবীগঞ্জ উপজেলার জিয়াপুর গ্রামের মাদক সস্মাট কয়েছ আলী ইমনের ভাই রায়েছ মিয়া ও চৈতন্যপুর গ্রামের লিটন মিয়াকে এক কেজি গাঁজা সহ শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা পরিবারিক ভাবে পুরো পরিবার মাদক বিক্রেতা ও মাদক বিক্রি করে গড়ে।তুলেছে মাদকের এক সমার্জ্জ। তাদের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ প্রসাশন ও নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসোয়ারা নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবৎ ব্যাবসা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। গত কিছু দিন পুর্বে রায়েছ মিয়া ২৭ কেজি গাজাঁ সহ সেনাবাহিনির হাতে গ্রেফতার হয়। মাস খানেক জেলে থাকার পর জামিনে এসে আবারও প্রকাশ্যে গাজাঁর ব্যবসা শুরু করে। এনিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহবুব খসরু সহ এলাকাবাসী প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরবর্তিতে দীঘলবাক ইউপি চেয়ারম্যান ভ্রমন থেকে দ্রুত দেশে আসেন। এরপর থেকে আবারও গাজাঁ বিক্রির অলিখিত অনুমদন দিয়ে মাদক ব্যবয়ায়ীদেরকে গাজাঁর ব্যাবসার সুযোগ করে দেন। রায়েছ গ্রেফতার হলেও ধরা ছোয়ার বাহিরে রয়েছে কয়েছ আলী ইমন ও তাদের গড ফাদার আহমদ আলী এদের কে দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য এলাকাবাসী জোর দাবী জানান।