১১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

মানহানিকর অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির মালিক।

  • আপডেট: ০৭:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / ১৮০২০

মানহানিকর অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির মালিক।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের ভবানন্দপুর মৌজার ২১০ ও ২১১ নং দাগের জমির মালিক মোঃ আনিসুর রহমান সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিও নিউজের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ৯ জুন দুপুর ১২ টা ১২ মিনিটে আমাকে এই ফোন নাম্বার ০১৭২৪৭৭৮৯৯৫ থেকে হুমকি দেয় এবং বলেন আপনার ভাতিজা আসাদ যা যা বলে আপনি শুনুন,না হলে আপনার দোকান রুমে যে একটি কবর রয়েছে তা দিয়ে আপনাকে এবং আপনার সন্তানদের ফাঁসিয়ে দিব কেউ রক্ষা করতে পারবে না। আমি তখন তার পরিচয় জানতে চাই কিন্তু উনার পরিচয় দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। উক্ত জমিতে দীর্ঘদিন যাবত আমি ও আমার ওয়ারিশগণ রেকর্ড মুলে ভোগদখল করছি। স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বে নাম না জানা এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর উক্ত জমিতে কবর স্থাপন করা হয়েছিল, যা আজও সংরক্ষিত রয়েছে। কিন্তু আমার ভাতিজা আসাদ গত ১০ জুন মিডিয়া কর্মীদের মাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচার করে দাবি করেছেন যে এটি মুক্তিযোদ্ধার কবর, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

তিনি বলেন, “আমি একজন বাংলাদেশী এবং যারা আমাদের দেশকে স্বাধীন করেছেন তাদের সম্মান করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমার ভাতিজা আসাদ যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা মনগড়া, বানোয়াট এবং আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

স্থানীয়রা এই ঘটনার সত্যতা যাচাই ও ভুল তথ্য থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

মানহানিকর অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির মালিক।

আপডেট: ০৭:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

মানহানিকর অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির মালিক।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের ভবানন্দপুর মৌজার ২১০ ও ২১১ নং দাগের জমির মালিক মোঃ আনিসুর রহমান সম্প্রতি প্রকাশিত এক ভিডিও নিউজের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ৯ জুন দুপুর ১২ টা ১২ মিনিটে আমাকে এই ফোন নাম্বার ০১৭২৪৭৭৮৯৯৫ থেকে হুমকি দেয় এবং বলেন আপনার ভাতিজা আসাদ যা যা বলে আপনি শুনুন,না হলে আপনার দোকান রুমে যে একটি কবর রয়েছে তা দিয়ে আপনাকে এবং আপনার সন্তানদের ফাঁসিয়ে দিব কেউ রক্ষা করতে পারবে না। আমি তখন তার পরিচয় জানতে চাই কিন্তু উনার পরিচয় দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। উক্ত জমিতে দীর্ঘদিন যাবত আমি ও আমার ওয়ারিশগণ রেকর্ড মুলে ভোগদখল করছি। স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বে নাম না জানা এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর উক্ত জমিতে কবর স্থাপন করা হয়েছিল, যা আজও সংরক্ষিত রয়েছে। কিন্তু আমার ভাতিজা আসাদ গত ১০ জুন মিডিয়া কর্মীদের মাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচার করে দাবি করেছেন যে এটি মুক্তিযোদ্ধার কবর, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

তিনি বলেন, “আমি একজন বাংলাদেশী এবং যারা আমাদের দেশকে স্বাধীন করেছেন তাদের সম্মান করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমার ভাতিজা আসাদ যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা মনগড়া, বানোয়াট এবং আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

স্থানীয়রা এই ঘটনার সত্যতা যাচাই ও ভুল তথ্য থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।